
বুদ্ধিজীবী দিবস ও বিজয় দিবস জাতির ঐতিহ্য- একে টিকিয়ে রাখা আমাদেরই কর্তব্য : সাজ্জাদ হোসেন রতন
পাপ্পু চৌধুরী : বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়াউর রহমানের অক্লান্ত পরিশ্রমে আমরা এই স্বাধীনতা অর্জন করতে পেরেছি এবং আজ বাংলাদেশের প্রতিটি শিশু, কিশোর, বৃদ্ধ, তরুণ ,যারাই আছেন না কেন তারা জানতে এবং বুঝতে শিখেছি একাত্তরের যুদ্ধ কেমন হয়েছিল ? তবে আমার মনে হয় যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি কথাগুলো বলেছেন ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক যুবদল নেতা ও সমাজসেবক , বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং তরুণদের চোখের মনি তারেক রহমানের অত্যন্ত স্নেহভাজন সাজ্জাদ হোসেন রতন, তিনি সাংবাদিকদের কে জানান. বুদ্ধিজীবী দিবস ও বিজয় দিবস জাতির ঐতিহ্য একে টিকিয়ে রাখা আমাদেরই কর্তব্য
কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের স্মৃতিপাতা থেকে বিভিন্ন দিবস ও তার তাৎপর্য ফলে আমাদের আগামী দিনের ভবিষ্যতের অগ্রগামী যে সকল সন্তানেরা ইতিহাস নিয়ে জানবেন তারাবোধ হয় সঠিকভাবে তাদের দেশ জাতি ধর্ম বর্ণ বিষয়ে অজ্ঞতাই থেকে যাবেন তাই আমি বলতে চাই যে , আমাদের বাংলাদেশের স্বাধীনতা নিয়ে যে সকল ইতিহাস সঠিকভাবে স্কুল-কলেজের বই পত্রে এমনভাবে উপস্থাপন করা হোক যেন ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সম্পূর্ণরূপে সঠিক ইতিহাস জানতে পারেন , ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবসে জানাচ্ছি সকল শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই বাংলাদেশের বিজয় শুধু বাংলাদেশ নয় বিশ্বের ইতিহাসের দরবারে পৌঁছে যাবে এমনভাবেই পালিত করা উচিত বলে আমি মনে করছি তাছাড়া শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রাণের এই বাংলাদেশের ইতিহাস যেন বিশ্বের দরবারে আরো বেশি প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আমাদের সকলের প্রত্যাশা, আটষট্টি হাজার গ্রাম বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে কথাটি বলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান, সেই ৬৮ হাজার গ্রামের প্রত্যেকটি অঞ্চলের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে আমাদের সেই জিয়াউর রহমানের স্বপ্নের ধানের শীষের প্রতীক টিকে , আমরা প্রতিদিনই যুদ্ধ করে টিকে থাকছি যে রকম ঠিক সেরকম ভাবেই অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে ধানের শীষের প্রতীকে প্রত্যেকটি বাড়িতে পৌঁছে দেওয়াই হবে আমাদের নৈতিকতার আদর্শ, আগামী ২৫শে ডিসেম্বর তারেক রহমানের বাংলাদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ফিরে পাবে তার নতুন প্রাণ এই আশা ব্যক্ত রেখেই আজ আমি আপনাদের নিকট হতে বিদায় নিচ্ছি , বাংলাদেশ জিন্দাবাদ , জাতীয়তাবাদী দল জিন্দাবাদ, শহীদ জিয়া অমর হোক, খালেদা জিয়া জিন্দাবাদ