
বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টির উদ্যোগে জাতীয় প্রেসক্লাবে ইফতার মাহফিল উপলক্ষে আলোচনা সভা
বিষয়: বর্তমান বাস্তবতায় বিশ্বব্যবস্থা ও রাষ্ট্রব্যবস্থাঃ মানবজাতির ভবিষ্যৎ
মোঃ পাপ্পু চৌধুরী : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে মানুষের মৌলিক চাহিদা ভাত, কাপড় ও বাসস্থানের সমস্যা অনেকটা মিটেছে। কিন্তু মানুষের জীবন কেবল এই মৌলিক চাহিদার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। মানুষের দৈহিক চাহিদার পাশাপাশি মানসিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক চাহিদাও রয়েছে, যা পূরণের জন্য আরও উন্নত সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রয়োজন। বর্তমান বিশ্বে জাতিসংঘ কর্তৃক যে বিশ্বব্যবস্থা চালু রয়েছে, তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকার প্রশ্নই অবান্তর। মানবজাতির পারস্পরিক সম্প্রীতি, ন্যায়বিচার এবং সাংস্কৃতিক বিকাশের জন্য বর্তমান রাষ্ট্রব্যবস্থা ও আন্তর্জাতিক কাঠামো অনেক ক্ষেত্রেই অপ্রতুল। তাই বিশ্ব ও রাষ্ট্রব্যবস্থাকে আরও উন্নত, মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক করার প্রয়োজনীয়তা ক্রমেই জোরালো হয়ে উঠছে। ধর্ম, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র এবং বিশ্ব-মানবতার প্রচলিত ধারণাগুলো মানবসভ্যতার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও বর্তমান সময়ের জটিল বাস্তবতায় সেগুলো নতুনভাবে চিন্তা ও মূল্যায়নের দাবি রাখে। কিন্তু এসব বিষয়ে সৃষ্টিশীল ও মানবিক চিন্তাভাবনা তুলনামূলকভাবে কমই খুঁজে পাওয়া যায়। এই বাস্তবতায় উন্নততর নতুন মানবিক ভবিষ্যৎ সৃষ্টির লক্ষ্যে আজকের এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। একবিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকে এসে বিশ্বব্যবস্থা এক গভীর পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে। শীতল যুদ্ধ-পরবর্তী একমেরু বিশ্ব থেকে আমরা ক্রমশ বহুমেরু শক্তিকাঠামোর দিকে অগ্রসর হচ্ছি। অর্থনৈতিক বৈষম্য, প্রযুক্তিগত বিপ্লব, জলবায়ু সংকট, ভূ-রাজনৈতিক সংঘাত, গণতন্ত্রের চ্যালেঞ্জ এবং মানবাধিকার প্রশ্নড়সব মিলিয়ে বিশ্ব রাজনীতি ও রাষ্ট্রব্যবস্থা আজ এক জটিল সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। এই প্রেক্ষাপটে মানবজাতির ভবিষ্যৎ কোন পথে অগ্রসর হবে তা নির্ধারণে আজকের আলোচনা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
১. বিশ্বব্যবস্থার পরিবর্তন: ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর বিশ্বরাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্র একক পরাশক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। বিশ্ব এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক কর্তৃত্বের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। এর ফলে বিশ্বব্যবস্থায় একমেরু আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সমালোচকদের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার বিশ্ব কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিভিন্ন সময়ে সামরিক ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের নীতি গ্রহণ করেছে। মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন অঞ্চলে সংঘাত, যুদ্ধ এবং ভূ-রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা গোটা পৃথিবীকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। গাজা সংকট, সিরিয়া যুদ্ধ, ইউক্রেন যুদ্ধ এবং তাইওয়ান ইস্যু ও ইরান যুদ্ধ প্রমাণ করে যে শক্তির দ্বন্দ্ব এখনও আন্তর্জাতিক রাজনীতির কেন্দ্রীয় উপাদান। একই সময়ে বিশ্বের ক্ষমতার ভারসাম্যে পরিবর্তনও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। চীনের দ্রুত অর্থনৈতিক উত্থান, রাশিয়ার সামরিক শক্তির পুনরুত্থান এবং ভারতের ক্রমবর্ধমান প্রভাব বিশ্ব রাজনীতিকে ধীরে ধীরে বহুমেরু কাঠামোর দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে অনেক বিশ্লেষক মনে করেন, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে আরও কার্যকর ও ন্যায়ভিত্তিক করার জন্য সংস্কার প্রয়োজন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত জাতিসংঘের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বশান্তি ও সহযোগিতা নিশ্চিত করা। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় অনেকেই মনে করেন যে জাতিসংঘ কাঙ্ক্ষিত কার্যকারিতা দেখাতে পারছে না। জাতিসংঘ একটি অকার্যকর সংস্থায় পরিণত হয়েছে। ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও কার্যকর বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতিসংঘ পুনর্গঠন করে নতুনভাবে বিশ্বরাষ্ট্রসংঘ প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। পৃথিবীর কোনো রাষ্ট্রের অধীনে সেনাবাহিনী না রেখে বিশ্বরাষ্ট্রেসংঘের অধীনে সেনাবাহিনী গড়ে তুলতে হবে। এখন সময় এসেছে, ইঙ্গ-মার্কিন বিরোধী রাশিয়া, চীন, উত্তর কোরিয়া, ইরান ও ভারত সহ অন্যান্য সমমানের রাষ্ট্র নিয়ে জোট গঠন না করলে বিশ্ব হুমকির সম্মুখীন হবে। সাম্প্রতিক সময়ে পৃথিবীব্যাপী জনগণের চাহিদা, মানববিধ্বংসী সামরিক খাতে অর্থ ব্যয় করার পরিবর্তে মানবকল্যাণের জন্য সুদূরপ্রসারী চিন্তা করা প্রয়োজন। ক্ষুধামুক্ত বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। আমরা যুদ্ধমুক্ত পৃথিবী চাই।
২. বৈশ্বিক অর্থনীতি ও বৈষম্য বিশ্বায়ন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করলেও বৈষম্য কমাতে তেমন সফল হয়নি। উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে আয়ের ব্যবধান যেমন রয়ে গেছে, তেমনি একই দেশের মধ্যেও ধনী-দরিদ্র বৈষম্য দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (ওগৰা), বিশ্বব্যাংক এবং বহুজাতিক কর্পোরেশনগুলো বৈশ্বিক অর্থনীতির গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ডিজিটাল অর্থনীতি, অটোমেশন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রসার উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের কাঠামোকে দ্রুত পরিবর্তন করছে। এর ফলে একদিকে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে, অন্যদিকে অনেক ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তাও বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং মানবিক অর্থনৈতিক নীতির প্রয়োজনীয়তা আরও বেশি অনুভূত হচ্ছে।
৩. রাষ্ট্রব্যবস্থার সংকট ও গণতন্ত্রের চ্যালেঞ্জ: বর্তমান বিশ্বে গণতন্ত্র বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। বাংলাদেশসহ বিশ্বে যে উদার গণতন্ত্র চলছে, তা কেবল ১০% লোকের জন্য প্রযোজ্য। এই উদার গণতন্ত্রে ৯০% লোক নির্যাতিত, নিপীড়িত ও শোষিত হচ্ছে। সমাজে এক শ্রেণীর এলিট অলিগাকী গড়ে উঠেছে। অনেক দেশে নির্বাচন ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। কিছু দেশে কর্তৃত্ববাদী প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, আবার কোথাও রাজনৈতিক মেরুকরণ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। বহুপাক্ষিক প্রতিষ্ঠানগুলো বৈশ্বিক সমস্যার কার্যকর সমাধান দিতে ব্যর্থ হওয়ায় অনেক রাষ্ট্র নিজেদের কৌশলগত স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। ফলে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রেও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশসহ অনেক উন্নয়নশীল দেশে গণতন্ত্রের বিকাশ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের প্রকৃত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এখনও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হলেও গত পঞ্চান্ন বছরে গণতন্ত্রের আলোর মুখ দেখেনি। বাংলাদেশের রাজনীতি ও ভবিষ্যৎ এখন আর বাংলাদেশের জনগণের ও রাজনীতিবিদদের নিয়ন্ত্রণে নেই। বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করছে পশ্চিমা কর্তৃত্ববাদী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশের রাজনীতি আজ ভয়াবহ সংকটের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে। ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস বাংলাদেশকে একটি অগ্নিগর্ভে রেখে গিয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার ছিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মনোনীত এনজিও সিভিল সোসাইটি সরকার। তাঁরা পশ্চিমা কর্তৃত্ববাদী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছে। বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণে কাজ করেনি। ড. মুহাম্মদ ইউনুসের কাছে জাতির অনেক প্রত্যাশা ছিল, কিন্তু তা পূরণ করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। ইউনুসের সবচেয়ে বড় সফলতা হলো মব সন্ত্রাস সৃষ্টি করা, যা পৃথিবীর কোনো দেশেই এই মৰ সন্ত্রাসের প্রবণতা নেই। গত ১৮ মাসে সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে ঘুমাতে পারেনি, চলতে পারেনি। জনগণ দীর্ঘ নিঃশ্বাস নিতে পারেনি, এখন মানুষ স্বস্তি পেয়েছে। বাকস্বাধীনতা একেবারেই ছিল না বলেই চলে। মব সন্ত্রাসের ভয়ে পুরো জাতি আতঙ্কিত অবস্থায় ছিল। এখন অনেকেই বলছে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলে যো দুর্নীতি, লুটপাট, সন্ত্রাস, গুম ও হত্যা হয়েছে, গত ১৮ মাসে তার চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি হয়েছে।ড. ইউনুস বাংলাদেশে গৃহযুদ্ধের যে বীজ বপন করে দিয়ে গিয়েছে, তা জনগণ কিছুদিন পরে উপলব্ধি করতে পারবে। দেশে প্রয়োজন দুর্নীতি ও প্রতিহিংসামুক্ত সম্প্রীতিময় রাজনীতি।
৪. জলবায়ু সংকট ও মানবিক ভবিষ্যৎ, জলবায়ু পরিবর্তন মানবজাতির জন্য অন্যতম বড় অস্তিত্বগত হুমকি। বৈশ্বিক উষ্ণায়ন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করছে। বাংলাদেশ জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। উপকূলীয় অঞ্চল, কৃষি উৎপাদন এবং পানি সম্পদ ভবিষ্যতে আরও বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। এই কারণে টেকসই উন্নয়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার এবং পরিবেশ ন্যায়বিচার আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রে থাকা জরুরি।
৫. প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মানবাধিকার চতুর্থ শিল্পবিপ্লব বিশ্বব্যবস্থাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমতা, জেনেটিক প্রযুক্তি এবং সাইবার প্রযুক্তি রাষ্ট্রক্ষমতার নতুন উপকরণে পরিণত হয়েছে। তবে এর সাথে নতুন ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে। নজরদারি রাষ্ট্র, সাইবার নিরাপত্তা সংকট এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রশ্ন আজ গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। প্রযুক্তি মানবকল্যাণে ব্যবহৃত হবে নাকি নিয়ন্ত্রণ ও বৈষম্যের হাতিয়ার হবেড়তা নির্ভর করছে নীতি, নৈতিকতা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপর।
৬. মানবজাতির ভবিষ্যৎ
মানবজাতির ভবিষ্যৎ মূলত তিনটি স্তম্ভের ওপর নির্ভরশীল
১. ন্যায়ভিত্তিক বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থা
২. অর্থনৈতিক অধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন
৩. মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সাংস্কৃতিক অধিকার, আইনের শাসন ও পরিবেশ সুরক্ষা বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য কৌশলগত ভারসাম্য বজায় রাখা, অর্থনৈতিক বহুমুখীকরণ, শিক্ষা ও প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান বাস্তবতায় বিশ্ব ও রাষ্ট্রব্যবস্থা এক গভীর পরিবর্তনের যুগে প্রবেশ করেছে। প্রতিযোগিতা ও সংঘাতের মধ্যেও মানবজাতির কল্যাণে সহযোগিতা ও সহাবস্থানের পথ খুঁজে বের করতে হবে।
মানবজাতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে আমরা কতটা ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক এবং টেকসই বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারি তার ওপর। বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টি সর্বজনীন কল্যাণের লক্ষ্যে দুর্নীতি ও প্রতিহিংসামুক্ত রাজনীতি প্রতিষ্ঠা এবং অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক প্রণীত ২৮ দফা সর্বজনীন গণতন্ত্র বাস্তবায়নের মাধ্যমে সম্প্রীতিময় ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য কাজ করছে।আজকের এই সেমিনার কেবল একটি আলোচনা নয়; এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি দিকনির্দেশনা নির্ধারণের প্রচেষ্টা। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও বুদ্ধিজীবী সমাজের দায়িত্ব হবে বৈশ্বিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে একটি মানবিক, গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল রাষ্ট্রদর্শন উপস্থাপন করা।আমরা আশা করি আজকের আলোচনার মধ্য দিয়ে উন্নততর ভবিষ্যৎ নির্মাণের লক্ষ্য ও কর্মপন্থা সম্পর্কে নতুন চিন্তা ও দিকনির্দেশনা পাওয়া যাবে।
ধন্যবাদ।
জয় হোক কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতী মানুষের।
জয় হোক বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টির।